Showing posts with label পরিযায়ী পাখি. Show all posts
Showing posts with label পরিযায়ী পাখি. Show all posts

Wednesday, November 19, 2008

টানা সাত হাজার মাইল উড়ল দাগি লেজ জৌরালি পাখি

দাগি লেজ জৌরালি বা বার টেইলড গডউইট নামের একটি জলচর পাখি আকাশে বিরতিহীনভাবে সাত হাজার ২০০ মাইল পাড়ি দিয়েছে। শীতকালে অতিথি পাখির হাজার হাজার মাইল পথ পাড়ি দেওয়া কোনো নতুন ঘটনা নয়। কিন্তু টানা আট দিনের বেশি স্থায়ী ভ্রমণ এবং এ ভ্রমণে সাত হাজার ২০০ মাইল পাড়ি, এই প্রথম পর্যবেক্ষণ করেছেন বিজ্ঞানীরা। এ পাখিটি সুদুর আলাস্কা থেকে প্রশান্ত মহাসাগর পার হয়ে নিউজিল্যান্ডে পৌঁছায়। এ সময় পাখিটি কোনো বিশ্রাম নেয়নি, খাবারও গ্রহণ করেনি। সে নিজেকে প্রাণিজগতে সবচেয়ে সহিষ্ণু প্রমাণ করেছে। বিজ্ঞানীরা পাখিটির গতিবিধি রেকর্ড করে বলেছেন, প্রাণিজগতে এমন ঘটনা অভুতপূর্ব।

এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা সংক্রমণে অতিথি পাখির ভুমিকা নিয়ে গবেষণা করতে গিয়ে ব্যতিক্রমী এ ঘটনাটি বিজ্ঞানীদের নজরে আসে। ২০০৬ ও ২০০৭ সালে কৃত্রিম উপগ্রহের মাধ্যমে তাঁরা বার টেইলড গডউইটের বিচরণ রেকর্ড করেন। তাঁদের গবেষণার ফলাফল সম্প্রতি ‘প্রসিডিংস অব দ্য রয়্যাল সোসাইটি বি জার্নালে’ প্রকাশিত হয়েছে।

গবেষণায় দেখা যায়, বার টেইলড গডউইট বিরতিহীনভাবে নয় দিন পর্যন্ত আকাশে বিচরণ করে সাত হাজার মাইলের বেশি পথ পাড়ি দিতে পারে। এ সময় তারা কোনো খাবার খায় না, এমনকি ঘুমায়ও না।
পাখিটির ঠোঁট থেকে লেজ পর্যন্ত দৈর্ঘ্য ৩৭-৪১ সেন্টিমিটার। পা দুটোও ছোট ছোট। প্রসারিত ডানার দৈর্ঘ্য ৭০ থেকে ৮০ সেন্টিমিটার। ওজন প্রায় ১৯০ থেকে ৬৩০ গ্রাম। বয়স্ক পাখিদের পায়ের রং নীল ধুসর। ঠোঁটের সরু প্রান্তটি বাঁকা আর গোলাপি রঙের। পেছনের অংশটি ধুসর। গলা, বুক ও পেটের দিকটা লাল, তবে শীতে হালকা সাদা রং ধারণ করে।

দাগি লেজ জৌরালি বিশেষজ্ঞ নেদারল্যান্ডসের গ্রোনিনজেন বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞানী থিউনিস পিয়েরসমা বলেন, মেরুদন্ডী প্রাণীদের মধ্যে এমন দীর্ঘ পথ একটানা পাড়ি দেওয়ার এ ঘটনা গত বছরে বিজ্ঞানীদের নজরে আসে। তিনি বলেন, গোটা ভ্রমণে পাখিটি বিরামহীনভাবে পাখা ঝাপটায়। এ সময় খাবার গ্রহণ না করলেও দেহে সঞ্চিত শক্তি বিপাকীয় প্রক্রিয়ায় পাখিটিকে সচল রাখে। সুত্র: গার্ডিয়ান। প্রথম আলো, ২০ অক্টোবর, ২০০৮

Sunday, May 25, 2008

বিশ্বসফরে রেকর্ড করেছে যে পাখি

বিশ্বসফরে রেকর্ড করেছে যে পাখি
রেজা খান
বিশ্বে বার্ডফ্লুর যে প্রকোপ চলছে, তাতে প্রাকৃতিকভাবে ঘুরে বেড়ানো পাখিদের ভুমিকা কী, তা নিয়ে গবেষণা করছে যুক্তরাষ্ট্রের একটি সরকারি সংস্থা ও নিউজিল্যান্ডের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষক-গবেষক। তারই অংশ হিসেবে সাতটি জোয়ালা পাখির পায়ে হালকা ও মজবুত আংটি পরিয়ে দেন তাঁরা। প্রতিটির পিঠে বসিয়ে দেন ব্যাটারিচালিত হালকা স্যাটেলাইট ট্রান্সমিটার।
এসব যন্ত্রপাতি নিয়ে ২০০৭ সালের ১৭ মার্চ অন্য পাখিগুলোর সঙ্গে ই-৭ (পায়ে পরানো আংটির নম্বর) বার-টেইলড গডউইট প্রজাতির স্ত্রী পাখিটিও নিউজিল্যান্ডের উত্তর আইল্যান্ডের মিরান্ডা থেকে উড়তে শুরু করে। কোথাও না থেমে এক নাগাড়ে আট দিন উড়ে পাখিটি গিয়ে নামে চীন-উত্তর কোরিয়ার সীমান্তপারের ইয়ালু জিয়াং নদীর তীরে। এ সময় এক উড়ানে পাখিটি অতিক্রম করে প্রায় ১০ হাজার কিলোমিটার। সেখানে ৩৫ দিন কাটিয়ে ১ মে সন্ধ্যায় ফের পাখিটি যাত্রা শুরু করে। একের পর এক পেরিয়ে যায় পূর্বদিকে জাপান সাগর, উত্তর প্রশান্ত মহাসাগর, উত্তর-পূর্ব দিকে যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কার উপদ্বীপ। পাঁচ দিন পর পাখিটি গিয়ে পৌঁছে পশ্চিম আলাস্কার ইওকুন-কাসকোকুইম নদীর বদ্বীপ অঞ্চলে। জলাভুমির পাখির বহু প্রজাতির সঙ্গে জোয়ালারাও প্রতিবছর এখানে প্রজনন করে। এই পাঁচ দিনের যাত্রায় পাখিটি পাড়ি দেয় সাত ২০০ কিলোমিটার পথ।
পুরো আগস্ট ইওকুন-কাসকোকুইমে কাটিয়ে ২৯ তারিখ ভোরে পাখিটি যাত্রা শুরু করে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে। আলাস্কা পেরিয়ে চলে উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরের দিকে। হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ পৌঁছে অবিরাম উড়তে থাকে দক্ষিণ-পশ্চিমে। সেখান থেকে ছোটে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপ ফিজির দিকে। ৭ সেপ্টেম্বর পড়ন্ত বিকেলে নিউজিল্যান্ডের যে নদীতে গিয়ে পাখিটি নামে, মিরান্ডা সেখান থেকে আট কিলোমিটার। এই মিরান্ডাতেই তার পায়ে আংটি পরানো হয়েছিল। শেষের বিরতিহীন ১০ দিনের উড্ডয়নে পাখিটি পাড়ি দেয় প্রায় সাড়ে ১১ হাজার কিলোমিটার।
সাত মাসে ই-৭ উড়েছে মোট ২৩ দিন। আর এই ২৩ দিনে পাড়ি দিয়েছে ২৯ হাজার কিলোমিটার। গড়ে পাখি প্রতিদিন উড়েছে এক হাজার ২৬০ কিলোমিটার। তাও বিরতিহীন। পাখিদের বিশ্বভ্রমণে এটি একটি বিশ্বরেকর্ড।
জোয়ালা পাখির জীবনকাল গড়ে প্রায় ২০ বছর। চার বছর বয়সে প্রথম পরিযায়ন শুরু করে। একটি জোয়ালা পাখি তার জীবদ্দশায় উড়ে বেড়ায় চার লাখ ৯৩ হাজার কিলোমিটার।
বাংলাদেশে দুই প্রজাতির জোয়ালা পাওয়া যায়। একটি ডোরা-লেজ জোয়ালা বা বার টেইলড গডউইট (Limosa lapponica), অন্যটি কালো-লেজ জোয়ালা বা ব্ল্যাক-টেইলড গডউইট (Limosa limosa)। প্রথমটি তেমন সুলভ নয়। দ্বিতীয়টি সুলভ। আমাদের হাওর বা মিঠাপানিতে এদের পাওয়া যায়। লম্বা ও সুচালো ঠোঁটের ডগা থেকে লেজের ডগা পর্যন্ত জোয়ালা পাখি লম্বায় ৪২ সেন্টিমিটার, ওজন প্রায় ৪৫০ গ্রাম। এরা নরম বালুবেলা বা কাদাভুমি থেকে কেঁচো-জাতীয় সামুদ্রিক অমেরুদন্ডী প্রাণী খেয়ে জীবনধারণ করে। দলে থাকতে পছন্দ করে। ডোরা-লেজ জোয়ালা মূলত উপকুলীয় জলাভুমি ও মোহনা অঞ্চলের পাখি। এরা পরিযায়ী। দেখা যায় কেবল ভরা শীতে। শীত শেষে ফিরে যায় রাশিয়ার সাইবেরিয়া অঞ্চলে বা উত্তর এশিয়ায়।
সবচেয়ে দুরবর্তী দেশ থেকে যেসব পাখি বাংলাদেশে আসে, জোয়ালা তাদের অন্যতম। সাইবেরিয়া থেকে আমাদের উপকুলে পৌঁছাতে এদের কমপক্ষে সাত-আট হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে হয়। ফিরতি পথেও অতিক্রম করতে হয় ফের একই পথ। আমাদের দেশের জোয়ালাদের নমুনা প্রতিবছর কোত্থেকে কত কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে এখানে আসে, সেটি জানা যাবে আমরা যখন এ পাখির নমুনার পায়ে আংটি ও পিঠে স্যাটেলাইট ট্রান্সমিটার বসানোর সুযোগ পাব। সে সুযোগ কি আমাদের ভাগ্যে জুটবে?

সূত্র: প্রথম আলো। ২৩ মে ২০০৮

Saturday, May 10, 2008

পরিযায়ী পাখি দিবস



বিশ্বজুড়ে পরিযায়ী পাখিদের সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য মে মাসের ১০ এবং ১১ তারিখে বিশ্ব পরিযায়ী পাখি দিবস পালন করা হয়।

Thursday, March 27, 2008

বার্ড ফ্লু থেকে সতর্কতা

খামারকর্মীদের সতর্কতা:
এ পর্যন্ত সারা বিশ্বে এ ভাইরাসে প্রায় ২০০ মানুষ মারা গেছে। এদের সবাই খামারকর্মী। সে কারণে ভোক্তা নয়, খামারকর্মী ও আক্রান্ত খামারের মুরগি নিধনে নিয়োজিতদের বাড়তি সতর্ক থাকা দরকার। দরকারি বেশভুষা ব্যবহার করতে হবে। বিশেষ করে মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস, পায়ে প্লাস্টি গাম বুট ও অ্যাপ্রোন পরতে হবে। শারীরিক প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে চিকিৎসকের পরামর্শে অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ খাওয়া যেতে পারে। যারা জীবন্ত মুরগির বেচাকেনার সঙ্গে যুক্ত তাদেরও এসব পেশাক পরে থাকতে হবে। খামারে জীব-নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে। শেডে প্রবেশের সময় ফুটপথে জীবাণুনাশক মিশ্রিত পানি রাখতে হবে। এতে পা ধুয়ে খামারে প্রবেশ নিশ্চিত করা দরকার। খামার ও জীবন্ত মুরগির দোকানের চারপাশে নিয়মিত ফরমালিন বা শক্তিশালী জীবাণুনাশক স্প্রে করতে হবে। কোনোভাবেই অতিথি পাখিদের সংস্পর্শে আসা যাবে না।

প্রতিষেধক ওষুধ:
চীন ও ফ্রান্সসহ অনেক দেশই মুরগির এই রোগ থেকে বাঁচার জন্য লাইভ ভ্যাকসিন আবিষ্ককার করেছে। চীনের স্টেট মিডিয়া জানায়, অরবিন রিসার্স ইনস্টিটিউট বার্ড ফ্লু প্রতিরোধে চার বছর গবেষণা করে লভি ভ্যাকসিন উদ্ভাবন করেছে। এই ভ্যাকসিন বার্ড ফ্লু ভাইরাসসহ রানিক্ষেত রোগের বিরুদ্ধে কাজ করবে।
খামারের মুরগিদের এই ভ্যাকসিন দেওয়া যেতে পারে। বার্ড ফ্লু রোগে আক্রান্ত হাঁস-মুরগি ও কবুতরসহ কোনো পাখিরই কোনো চিকিৎসা নেই। উন্নত বিশ্বে এ রোগের টিকা দেওয়ার প্রথা চালু থাকলেও আমাদের দেশে এখনো এ টিকা আমদানি করার অনুমতি নেই। দীর্ঘমেয়াদি রোগপ্রতিরোধের জন্য ভ্যাকসিন ব্যবস্থা চালু করা যেতে পারে।

রান্না মাংস-ডিমে ভয় নেই:
এই ভাইরাসে ভোক্তাদের আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। বিশিষ্ট পশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মনজুর আজিজ বলেন, "আমরা যে তাপে মুরগির মাংস রান্না করি সেই তাপে কোনো জীবাণু বাঁচে না।
তা ছাড়া এই ভাইরাসে আক্রান্ত মুরগি কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মারা যায়। বাজার থেকে তাজা, সবল জীবন্ত মুরগি কিনলে তা পুরোপুরি নিরাপদ। আক্রান্ত মুরগি বাজার পর্যন্ত আনতে আনতে তাজা থাকবে না। তবে বাড়তি সতর্কতার অংশ হিসেবে অল্প সেদ্ধ মাংস বা ডিম না খাওয়াই ভালো। এ ছাড়া রান্নার আগে মাংস কাটার পর ভালো করে সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে ফেলতে হবে।"
খামারকর্মীদের শেডে কাজ করার সময় মাস্ক পরে নাক-মুখ ঢেকে রাখতে হবে। থুতু ফেলা যাবে না। কাজ শেষে অবশ্যই সাবান দিয়ে হাত ও পা ভালো করে ধুয়ে ফেলা দরকার।

জীব-নিরাপত্তা জোরদারের বিকল্প নেই:
বায়ো সিকিউরিটি বা জীব-নিরাপত্তা একটি সাধারণ জ্ঞান। এক কথায় জীব নিরাপত্তা হলো খামারের মুরগি ও খামারকর্মীদের রোগজীবাণুর আক্রমণ থেকে সুরক্ষিত রাখা। জীব-নিরাপত্তা নিতে অতিরিক্ত কোনো খরচ হয় না। এটি মূলত আচরণবিধি। এর ফলে রোগজীবাণু থেকে খামার রক্ষা পাবে এবং হাঁস-মুরগি রোগজীবাণু থেকে মুক্ত থাকবে।
খামারের হাঁস-মুরগি সব সময় ভালো জায়গায় রাখতে হবে। ভালো জায়গা হলো পরিষ্ককার পানি ও খাবারের ব্যবস্থা আছে এমন জায়গা; যেখানে নিয়মিত টিকা ও ওষুধপথ্যের ব্যবস্থাও আছে।হাঁস-মুরগি সব সময় সংরক্ষিত ঘেরা জায়গায় রাখতে হবে।
খামারে প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। দর্শনার্থীদের জুতা-স্যান্ডেল, ছাগল, ভেড়া, বন্য পাখি রিকশাভ্যান ও মোটর গাড়ির মাধ্যমে আক্রান্ত এক এলাকা থেকে অন্য এলাকার খামারে রোগ ছড়াতে পারে। সে জন্য দর্শনার্থীদের চলাচল নিয়ন্ত্রিত অবস্থায় রাখতে হবে।

পাশের খামারে যদি রোগ দেখা দেয়:
পাশের খামারে এই রোগ দেখা দিলে বুঝতে হবে, আপনার খামার এখন মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে আছে। মনে রাখতে হবে, আপনার খামারটিও আক্রান্ত হতে পারে। তবে এ সময় অধৈর্য না হয়ে ঠান্ডা মাথায় কতগুলো মৌলিক নীতি অবলম্বন করতে হবে।
খামারের হাঁস-মুরগির জন্য সুরক্ষিত পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। নতুর হাঁস-মুরগি কিনবেন না। বহিরাগতদের কোনোভাবেই খামার শেডের কাছে আসতে দেওয়া যাবে না। খামারের আশপাশ, শেড, শেডের প্রত্যেকটি যন্ত্রপাতি এমনকি সাইকেল, মোটরসাইকেল নিয়মিত পরিষ্ককার রাখতে হবে। খামারের বর্জ্য ও বিষ্ঠা সুরক্ষিত জায়গায় রাখতে হবে।

যদি মড়ক লাগে:
খামারে মুরগির মৃত্যু বা মড়ক অনেক সময়ই হয় ও হতে পারে। যে কারণেই মড়ক লাগুক না কেন, দ্রুত নিকটস্থ পশুসম্পদ হাসপাতালে যোগাযোগ করতে হবে। মনে রাখবেন, চোখে দেখে কোনোভাবেই বোঝা যাবে না মৃত্যুর কারণ বার্ড ফ্লু ভাইরাস কি না। রোগের কারণ নিশ্চিত হওয়ার জন্য অবশ্যই ল্যাবরেটরি টেস্ট করাতে হবে। পাশুসম্পদ হাসপাতালের চিকিৎসক নির্দিষ্ট ল্যাবরেটরিতে রক্তের নমুনা পাঠিয়ে পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়ার পর আপনাকে নিশ্চিত করবেন রোগের কারণ কী। যদি বার্ড ফ্লু ভাইরাস পাওয়া যায়, তাহলে নির্দিষ্ট নিয়মের মাধ্যমে খামারের মুরগি নিধন ও ডিম নষ্ট করতে হবে এবং খামারের বর্জ্য পুড়িয়ে ফেলতে হবে।

করণীয়:

*
মুরগির মাংস ও ডিম ভালোভাবে রান্না ও সেদ্ধ করে খেতে হবে।
*
খাওয়ার আগে হাত ভালো করে সাবান দিয়ে ধুয়ে নিন।
*
ডিম ফ্রিজে রাখার আগে হালকা গরম পানি বা ডিটারজেন্ট মিশ্রিত পানিতে ধুয়ে রাখতে হবে।
*
বাড়ির হাঁস-মুরগি খাঁচায় ভরে রাখুন বা কোনো নির্দিষ্ট জায়গার বাইরে যেতে দেওয়া যাবে না।
*
খামারে কাজ করার সময় মাস্ক, গ্লাভস বা দস্তানা এবং অ্যাপ্রোন পরে কাজ করতে হবে।
*
খামারের ফুটপথে পা ধুয়ে প্রবেশ করুন।
*
হঠাৎ জাবর কাশি, গলার স্বর ভেঙে গেলে, চোখে কোনো সংক্রমণ হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

অনুচিত:

*
অতিথি পাখিদের শিকার ও খাওয়া যাবে না।
*
মুরগি কাটার ছুরি, বঁটি ও মাংস রাখার পাত্র গরম পানি ও সাবান দিয়ে ধুয়ে রাখতে হবে।
*
জীবন্ত মুরগি ছাড়া কোনো রোগগ্রস্ত মুরগি, হাঁস, কবুতর কেনা বা খাওয়া যাবে না।
*
খামার শেড থেকে শিশুদের দুরে রাখতে হবে।
*
খামারের অসুস্থ মুরগি খাওয়া যাবে না।
*
গুজব বিশ্বাস করা যাবে না।

তথ্য নেয়া হয়েছে নিসর্গ ব্লগ থেকে। লিঙ্ক নং - ১ এবং লিঙ্ক নং - ২

http://bdbird.blogspot.com